মেনু নির্বাচন করুন

ছবি
শিরোনাম
দেওঘর
বিস্তারিত

গ্রামের অর্থনীতিতে এখন পরিলক্ষিত হয় রূপান্তর ও তুলনামূলক সমৃদ্ধির চিত্র। উপনিবেশিক আমলের ন্যায় বাংলাদেশের গ্রাম এখন আর অপরিবর্তনীয় ও আত্মনির্ভর নয়। বিশ শতকের ষাটের দশকের প্রথমদিক থেকে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করে। গ্রামের অবস্থার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকার ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেয়। অধিকাংশ গ্রাম এখন খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ম্ভর এবং কোনো কোনো জেলা অতিরিক্ত খাদ্যশস্য উৎপাদন করছে। গ্রামে গ্রামে এখন যান্ত্রিক কর্ষণ, সেচ ও মাড়াই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ভারবাহী পশুপালনের বিপুল ব্যয় ও ঝুঁকির কারণে কৃষকগণ এখন ক্রমবর্ধমান হারে কলের লাঙ্গলের ওপর নির্ভরশীল। প্রচলিত জাতের ফসলের পরিবর্তে উচ্চ ফলনশীল জাতের ফসলের চাষ হচ্ছে। গ্রামের জমির বৃহত্তর অংশ মোটামুটি সেচের আওতায় আনা হয়েছে। সর্বত্র রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হচেছ। এর ফলে খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে। পূর্বে হাতে ধান ভানা হতো; কিন্তু এখন যন্ত্রচালিত ধান ভানা সর্বত্র চালু হয়েছে। গবাদি পশুপালন, দুগ্ধ খামার, হাঁসমুরগি পালন, হ্যাচারি, মৎস্য চাষ, হিমাগার ইত্যাদি কৃষি-ভিত্তিক শিল্পপ্রকল্প স্থাপনের জন্য সাধারণত শহরসংলগ্ন গ্রাম বাছাই করা হয়। অধিকাংশ এনজিও-র রয়েছে গ্রাম উন্নয়নের প্রকল্প। প্রায় সব গ্রামে রয়েছে এক বা একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় (আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক)। গড়ে প্রায় দুটি গ্রামের জন্য রয়েছে একটি করে মাধ্যমিক ও উচচ বিদ্যালয়। প্রতি জেলায় বহুসংখ্যক গ্রাম এখন বিদ্যুতায়িত। এক কথায় বাংলাদেশের গ্রাম এখন খাদ্যাভাব ও ক্ষুধার অবসানের দ্বারপ্রান্তে সমুপস্থিত